“গণআদালত থেকে গণজাগরণ মঞ্চ” স্বাধীনতার ৪৫ বছর

আমাদের স্বাধীনতা ৪৫ বছর পুর্ন হচেছ যখন জাতি হিসাবে আমরা যুদ্বাপরাধীদের বিচার করতে পেরেছি। কতটা গ্লানি ছিল আমাদের জাতির নিকট, যুদ্বাপরাধীরা মন্ত্রী ও এম পি হয়ে দাপিয়ে বেড়ালো স্বাধীন বাংলাদেশে। স্বাধীনতা বিরোধীদের যারা এ দেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিল, যারা তাদের এম পিও মন্ত্রী বানিয়েছিল তাদের বিচার আজ সময়ের দাবী। আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সম্পুর্ন জাতি এক্যবদ্ব। ৯৬ সালে যখন শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেছিলেন তখন তিনি চালু করেছিলেন  মুক্তিযোদ্বার মারা গেলে রাষ্ট্রিয় সম্মান পাবে  যা আজ্ও চালু রয়েছে। শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্বাদের মান মর্যাদা ও ভাতা বৃদ্বি করে তাদের সম্মানিত করেছন। আজ এক একজন মুক্তিযোদ্বা সর্বোচছ ১০ হাজার টাকা ভাতা পাচেছন তা ছাড়াও মুক্তিযোদ্বা সম্মানের স্থানে অভিষ্টিত। অথচ একটি বিতকিৃত রাজনৈতিক দলের পৃষ্টপোষকতায় রাজাকারদের পুনবার্সিত করা হয়েুছিল। বিতকিৃত দল টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কারন তারা বলে সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান তাদের দলের প্রতিষ্টিাতা অথজ তারা বাংলাদেশের চিহ্তি রাজাকার দের  এম পি ও মন্ত্রী বানিয়েছিল। তাদের দলের হাজার হাজার মুক্তিযোদ্বাদের তারা অপমান করেছিল। তারা চিহ্নিত রাজাকার সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ওআইসির মহাসচিব বানানোর জন্য রাষ্ট্রিয় কোষাগার থেকে মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল তাদেরও আজ বিচার হওয়া উচিত। স্বাধীনতা ৪৫ তম বছরে আজ সময় হয়েছে  এ সব কিছুর বিচার হবার। বেগম খালেদা জিয়া কে ইতিহাস বিকৃতির জন্য কাঠগডায় দাড়াতে হবে। ৭৫ পরবর্তি সাল থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যা যা ঘটেছে আবার ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসকে বিকৃত করা ও রাজাকার দের বাংলাদেশের মাটিতে পুনর্বাসনের জন্য বেগম খালেদা জিয়া ও তার দলকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিত। পাঠ্যপুস্তকে বিকৃতি ইতিহাস রচনা করে প্রায় ২৬ বছর জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিল বেগম খালেদা জিয়ার সরকার।


“গণআদালত থেকে গণজাগরণ মঞ্চ” স্বাধীনতার ৪৫ বছর

গণ আদালত থেকে গণজাগরণ মঞ্চ :


সৈরাচার বিরোধী আন্দোলরেন পর ক্ষমতায় আসে বিএনপি , তখন স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচার করার জন্য শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে দেশ ব্যাপী গণজাগরণ তৈরী হয়। বিশেষ করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে রাজাকা আলবদর দের বিচার করার জন্য। দেশের ৬৪ জেলায ও সবগুলো  উপজেলায় গন জাগরন শুরু হয় ,সরকার আহবান জানানো হয় দেশ বিরোধীদের বিচার করার জন্য , তখন সংসদের বিএনপির সাথে জোট হয়ে জামায়াতের বেশ কয়েকজন  এম পি হয়ে গেছে। আন্দোলন দানা বেধে চুরান্ত রুপ লাভ করে , মুক্তিযোদের স্বপক্ষের সব গুলো রাজনৈতিক দলগুলো ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির ব্যানারে এক হয়ে যায়। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ তখন বিরোধীদলে শেখ হাসিনার সমর্থনে ঘানানিকের সাথে আওয়ামী সমর্থন জানায়। ঘাতক দালাল নিমুল কমিটি সারা দেশে জনমত গঠন করে আন্দোলন চুড়ান্ত রুপ লাভ করে গণআদালতে গোলাম আজম , নিজামীদের বিচার করে। ঢাকায় লাখ মানুষের সম্পুখে গোলাম আজমের ফাসির রায় ঘোষনা করা হয়। বাংলাদেশের শীর্ষস্তানীয় বুদ্বিজীবী , আইনজীবি, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ দের নিয় ঘাদানিকের গন আদালতে গোলাম আজমের ফাসি ঘোষনা করা হয়। ত্যকালীন সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় বেগম খালেদা জিয়া জন রোশ থেকে বাচাতে গোলাম আজমকে প্রটেকশর প্রদান করেন। গণআদালরে রায় সারা দেশের মানুষ মুক্তমনে গ্রহন করেন। অথচ ত্যকালীন খালেদা জিয়ার সরকার গণআদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট ২৪ জন বিশিষ্ট বুদ্বিজাীবির বিরুদ্বে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করেন। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা মাথায় নিয়ে ই মুত্যু বরন করেন।


২০০৯ সালে শেখ হাসিনার সরকার সরাকর গঠন করার পর ঘাতক দালাল ও মুক্তিযোদ্বের বিরোধীদের বিচার শুরু করেন। আন্ত:জাতিক ট্রাইবুন্যাল তৈরী করে বিচার শুরু করেন। প্রথম দিকে বিরোধীরা ট্রাইবু্নালের মান নিয়ে অভিযোগ করলে পরে আস্তে আস্তে তার মান তারা মেনে নেন। বর্তমানে  শীর্ষস্থানীয় ৬ জন যুদ্বাপরাধীদের বিচার সুষ্টভাবে সম্পন্ন হল। কাদের মোল্লার বিচার দিয়ে যুদ্বাপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছিল , কাদের মোল্লার বিচারের রায়ে প্রথম দিকে ফাসি না হওয়ায় গনজাগরন মঞ্জ তৈরী হয়।  ফেসবুকের একটি একটিভ গ্রুপ কাদের মোল্লার রায়ে ফাসি না হওয়ায় তারা সেদিন শাহবাগে সন্ধ্যায় জড়ো হয়েছিল। প্রথমে শ খানেক অনলাইন একটিভিষ্টে এ  প্রতিবাদে থাকলে পরবর্তিতে তা হাজার লাখ ছাড়িয়ে যায় , যুদ্বাপরাধীদের রাষ সব্বোচচ ফাসির দাবীতে গনজাগরন শুরু হয়। দিন যায মাস যায় এ রকম প্রায় দুমাস রাত দিন শাহবাগে নতুন প্রজন্ম অবস্থান নেয়। যুদ্বাপরাধীদের বিচার তরান্বিত করার সামাজিক আন্দোলন সারা দেশে ছড়িযে পড়ে , ভীত হয়ে পড়ে জামায়াত ও শিবিরের ক্যাডাররা শুরু হয় মুক্তমনের মানুষদের উপর আক্রমন। এক নিরব বিপ্লবের উপর প্রতিবিপ্লব শুরু হয়। শেখ হাসিনা ও মহাজোট সরকার গনজাগরনকে শেল্টার দিতে থাকেন। আস্তে আস্তে সাধারন মানুষের মধ্যে দীর্ঘ ২৬ বছরের ভুল ইতিহাস মুছে যায়। সাধারন জনগন জামায়াত ও তার দোসরদের আস্তাকুড়ে ছুড়ে মারে। মানুষ স্বাধীনতা ইতিহাস জানতে শুরু করে। যুদ্বাপরাধেরি বিচার দ্রুত গতি লাভ করে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ৬ জন কুখ্যাত রাজাকার এর ফাসি কার্যকরতা লাভ করে।  স্বাধীনতার ৪৫ তম বছরে বাংলাদেশের শত অর্জনের মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্জন  যুদ্বাপারীদের বিচার যা বিশ্ব ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে অনন্য রেকড হিসাবে। আজ জামায়াত ও ছাত্র শিবির যারা এ দেশের মুক্তমনা মানুষদের উপর দাপিয়ে বেড়াত তারা  ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপিত হয়েছে।


গণআদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেকেই বেচে নেই কিন্তু তাদের আণ্দোলন আজ বাস্তবে রুপ লাভ করেছে। আজ আবার পুরনায় জাতির জনক শেখ মুজিব ইতিহাসে পাতায় স্বমহিমায় স্তান করে নিয়েছেন। যারা শেখ মুজিবের অবদান কে খাট করে দিয়েছিল আজ সময়ের আবর্তে শেখ মুজিব সব মানুষের অন্তরে স্তান করে নিয়েছেন। ৭৫ পরবর্তি সরকার গুলো শেখ মুজিবের সব অবদান মুছে ফেলে দিয়েছিল। অথচ শেখ মুজিব না হলে বাংলাদেশ হত না। আজ শেখ হাসিনার মহাজোট সরকার মুক্তিযোদ্বের চেতনাকে ফিরিয়ে এনেছেন। মুক্তিযোদ্বাদের অবদান স্বীকার করে তাদের যথাযথ মুল্যায়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ বিশ্বের দরবারে প্রশংসনীয় , শেখ হাসিনা তার দৃঢতায় যুদ্বপারাধীদের বিচারে কোন রকরম ছাড় দিচেছন না। যুদ্বাপরাধীরা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করেও বিচারকে প্রভাবিত করতে পারেনি। শেখ হাসিনা ও তার সরকার বিচারকে সুষ্ট সম্পাদনের ব্যব্স্থা করে বিশ্বে প্রর্শংসিত হয়েছেন।


আজ স্বাধীনতা ৪৫ বছরে বাংলাদেশ  দেরীতে হলেও একটি শক্ত অবস্থানে। অথচ যা আজ থেকে ২০ বছর আগে হবার কথা ছিল। আজ বিশ্বের অনেক দেশের কাছে বাংলাদেশ উদাহরন।  গত ৭ বছরে শেখ হাসিনার সরকারের যুগা্ন্তকারী ‍উন্নয়ন ও সঠিক নেতৃত্ব বাংলাদেশকে তার অভিষ্ট লক্ষ্য পৌছাতে সক্ষম হয়েছে। স্বাধীনতার চেতনা ও গৌরবগাথা নতুন প্রজন্ম ধারন করেছে। মুক্তিযোদ্বের স্বপক্ষের শক্তিগুলো আজ সঠিক ইতিহাস তুলে নতুন প্রজন্মকে জাগাতে সক্ষম হয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধীরা আজ সমাজের আস্তাকুড়ে স্তান নিযেছে। তারপর জঙ্গী নামের আড়ালে  এক অজানা অপশক্তি দেশকে অশান্ত করার পায়তারা করে , কিন্তু আইন শংখলা বাহিনী তাদের সমুলে উপড়ে ফেলার দৃঢ সংকল্পবদ্ব।


বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৪৫ বছরে   আজ সঠিক পথে হাটছে। বাংলাদেশ  এগিয়ে যাচেছ, ৫ কোটি নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচেছ। তাদের হাতে আগামীর বাংলাদেশ। বাংলাদেশ মরহুম শেখ মুজিবের সোনার বাংলায় রুপ নিচেছ। আসুন বাংলাদেশ এগিয়ে নিতে আমার দায়িত্ব আমি পালন করি।


গোলাম সাদত জুয়েল : সাংবাদিক-কলামিষ্ট ( ফ্লোরিডা ) আমেরিকা



“গণআদালত থেকে গণজাগরণ মঞ্চ” স্বাধীনতার ৪৫ বছর

Comments

Popular posts from this blog

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে প্রতিবেশীর হক

বাচ্চাদের কেনো ভাতের মাড় খাওয়াবেন জেনে নিন!

১৮.৯ ইঞ্চির এই লিঙ্গ নিয়ে নীলছবিতে বিশ্বের সব থেকে বড় পুরুষাঙ্গের অধিকারী